জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তুর্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং আমেরিকায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইনসের নিয়মিত ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন। প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট শেষে তুরস্কের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ইস্তানবুল বিমানবন্দরে অবতরণ করে ফ্লাইটটি। সেখানে ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট যাত্রাবিরতির পর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিউইয়র্ক সফররত বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ২৬ জন সদস্য রয়েছেন।
ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৬ সালের ২ জুন ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) শুরু হবে। এদিন সকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের স্ত্রীদের জন্য দেওয়া স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন তিনি। এরপর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে অন্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। সন্ধ্যায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের স্ত্রীদের সম্মানে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলাবিষয়ক সভায় বক্তব্য দেবেন।
একই দিন জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন তিনি। এদিন বাংলাদেশের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক একটি সাইড ইভেন্টেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন তিনি।
সূত্র : বাসস











