দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারি খরচে বাড়ি ও মন্দির নির্মাণ করাসহ নিহতদের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ও আহতদের ২০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে হিন্দু মহাজোটের নেতারা এ দাবি জানান।
তারা বলেন, আজ আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এটা আমাদের বাঁচা-মরার লড়াই। যতদিন অপরাধীর বিচার না হবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে। সনাতন সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনো আনন্দ নেই। বরং, হতাশা বাড়ছে। এর কারণ—দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখনও মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর করা হচ্ছে।
বক্তারা বলেন, প্রশাসনের নীরবতা আমাদের হতাশা ও নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে ফেলেছে। তাদের সদিচ্ছা থাকলে এই ঘটনা এড়ানো যেতো। দীর্ঘদিন ধরে চলা সংখ্যালঘু নির্যাতনে সরকারের নমনীয় নীতির কারণে আজকের এই অবস্থা তৈরি হয়েছে।
তারা বলেন, সরকার সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধে আন্তরিক নয়। বিদ্যমান আইনে এই মন্দির ভাঙা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রোধ করা সম্ভব নয়। ঘটনার সাতদিন পর সরকারের সম্প্রীতি মিছিল সনাতন সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়।
হিন্দু মহাজোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুধাংশু চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন মহাজোটের প্রধান সমন্বয়কারী শ্যামল কুমার রায়, নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে, সহ-সভাপতি প্রভাস চন্দ্ৰ মণ্ডল, ডি সি রায়, যুগ্ম-মহাসচিব সমীর সরকার, অখিল মজল, ফণি ভূষণ হালদার কেনেডি ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক আশীষ বাড়ই, মনোজ বিশ্বাস, হারাধন বিশ্বাস, জগন্নাথ হালদার, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের প্রধান সমস্বকারী পংকজ হালদার, সভাপতি প্রদীপ কান্তি দে, সাংগঠনিক সম্পাদক সুকেন নাহা, প্রচার সম্পাদক বিপিন মণ্ডল, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সঞ্জীব বৈদ্য ও সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথী রায় প্রমুখ।












