জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে পুনরায় কাশ্মীরি মুসলিমদের নিয়ে আওয়াজ তুললেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও মুসলিম বিশ্বের অন্যতম নেতা রজব তাইয়্যেব এরদোগান।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে এরদোগান বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। তার মতে, এশিয়ার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দুই দেশের সংলাপে বসা অত্যন্ত জরুরি।
এরদোগান বলেন, “পাকিস্তান ও ভারত দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে কাশ্মীরে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির দরজা উন্মোচিত হবে। শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সবসময় সমর্থন করে যাবে তুরস্ক।”
তার এ বক্তব্যটি, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের মাঝে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে একটি বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ পরে এসেছে। যে বৈঠকে মোদির সঙ্গে অবকাঠামো ও বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেছেন এরদোগান।
জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যুতে এরদোগানের উদ্বেগ প্রকাশ করা এটিই প্রথম নয়। এর পূর্বে ২০২২ ও ২০২০ সালেও কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের জন্য আওয়াজ তুলেছিলেন তিনি।
২০২০ সালে এরদোগান জাতিসংঘে বলেন, “ভারত ও পাকিস্তান ৭৫ বছর পূর্বে সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অর্জন করলেও এখনো পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে শান্তি ও সংহতি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। এটা দুঃখজনক। আমরা দোয়া ও আশা করি একটি ন্যায্য ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি এবং সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা হবে কাশ্মীরে।”
একইভাবে ২০২০ সালেও জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যুতে কথা বলেন এরদোগান। তবে তার এ বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছিল ভারত। তার এ বক্তব্যকে এক কথায় ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছিল দেশটি।
উল্লেখ্য; ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার। যার মাধ্যমে বাতিল করা হয় জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা ও সীমিত স্বায়ত্তশাসন।
সূত্র: দি কুইন্ট ওয়ার্ল্ড











