বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

এরদোগানকে ধন্যবাদ জানালো কাশ্মীরের জনগণ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে কাশ্মীরিদের মৌলিক ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি সমর্থন ও বিশদ ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছে কাশ্মীরের জনগণ।

তেহরিক-ই-হুরিয়ত জম্মু ও কাশ্মীরের নেতা ও আহ্বায়ক গুলাম মুহাম্মাদ সাফি এক বিবৃতিতে এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে সর্বদা আওয়াজ তুলেছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। এছাড়াও ইসলামী দেশ দুটি সর্বদা প্রকাশ্যে মুসলিম উম্মাহের নিপীড়নের ইস্যুগুলোতে ন্যায় বিচারের উপর ভিত্তি করে একটি সমাধানের দাবি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, তেহরিক-ই-হুরিয়ত বিশ্বাস করে, জাতিসংঘে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে যে আলোচনা ও সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন তা নির্দ্বিধায় প্রশংসার যোগ্য। তবে এটি তখনই কার্যকরী হবে ঠিক যখন তারা এ প্রচেষ্টা সকল জায়গায় ক্রমাগতভাবে অব্যাহত রাখবে।

মুহাম্মাদ সাফি বলেন, “আমরা আশা করি অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোও কাশ্মীরীদের জন্মগত অধিকার থেকে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে সমর্থন করবে।”

তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের মাধ্যমেই মুসলিম দেশগুলোর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যেহেতু মুসলিমদের মধ্যে আত্মত্যাগের চেতনা বিদ্যমান রয়েছে। আফগানিস্তানে সাফল্যের পিছনে রয়েছে এই আত্মত্যাগ, জিহাদের চেতনা ও শাহদাত অর্জনের তীব্র ইচ্ছা।

তিনি আরো বলেন, এখানে কোন ভুল থেকে থাকলে তা হল মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্বের। গোটা মুসলিম উম্মাহকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য মুসলিম নেতাদের উচিত পারস্পারিক মতভেদ ভুলে গিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে একে অপরকে সহযোগিতা করা

মুহাম্মাদ সাফি আরও বলেন, তেহরিক-ই-হুরিয়ত এটা বোঝে যে, প্রতিটি ক্ষেত্রে নিপীড়িত কাশ্মীরিদের প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার প্রতিষ্ঠা ও কাশ্মীর সমস্যার একটি ন্যায্য সমাধানে পৌঁছাতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন। যা ভারতের জন্য উপযুক্ত শাস্তি ও কাশ্মীরীদের জন্য স্বাধীনতার নতুন ভোর।

সূত্র: কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ