spot_img
spot_img

কেরকি-কাবুল বিদ্যুৎ লাইনে ৮০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাবে আফগানিস্তান

পরিকল্পিত ৫০০ কিলোভোল্ট কেরকি-কাবুল বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে আফগানিস্তান সর্বোচ্চ ৮০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পেতে পারে বলে জানিয়েছেন তুর্কমেনিস্তানের জ্বালানি কর্মকর্তা মুরাত আরতিকভ। বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানো এবং আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছে তুর্কমেনিস্তান।

‘নিউজ সেন্ট্রাল এশিয়া’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আশগাবাতে অনুষ্ঠিত ‘তুর্কমেনিস্তানের তেল ও গ্যাস ২০২৬’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তুর্কমেনিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান রুটসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিদ্যুৎ প্রকৌশল প্রকল্প বিভাগের পরিচালক মুরাত আরতিকভ।

আরতিকভ বলেন, কেরকি-কাবুল বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্য হবে ৭১১ কিলোমিটার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে শেবেরঘান-দাশত-ই আলভান অংশের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। দাশত-ই আলভান সাবস্টেশন থেকে কাবুল প্রদেশের আরগান্দি সাবস্টেশন পর্যন্ত সংযোগকারী অংশটি ২০২৭ সালের জুনে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান (টিএপি) বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পের আওতায়ও অবকাঠামো উন্নয়ন করছে তুর্কমেনিস্তান। আরতিকভ বলেন, মেরি স্টেট পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে আফগান সীমান্ত পর্যন্ত ২৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২২০ কিলোভোল্ট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ২০২১ সালের আগস্টে নির্মাণ করা হয়েছে। এটি আফগানিস্তানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হেরাত প্রদেশে নূর উল-জিহাদ সাবস্টেশন চালু করা হয়েছে। আরতিকভের মতে, এই স্থাপনা চালুর ফলে তুর্কমেনিস্তান থেকে হেরাত প্রদেশে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে।

পরিকল্পনার মধ্যে নূর উল-জিহাদ সাবস্টেশনে ২০০ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার একটি সিঙ্ক্রোনাস কম্পেনসেটর স্থাপন এবং হেরাতের পুল-ই-হাশেমি, নূর উল-জিহাদ ও ২৪ হুত সাবস্টেশনকে সংযুক্ত করে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ ২২০ কিলোভোল্ট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণও রয়েছে।

আরতিকভ বলেন, টিএপি প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশ ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি নথিতে স্বাক্ষর হয়েছে। আফগানিস্তানে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য একটি রোডম্যাপ তুর্কমেনিস্তান ও আফগানিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সম্মত হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ অবকাঠামো সম্প্রসারণের লক্ষ্য শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানো নয়। এর মাধ্যমে শিল্পের উন্নয়ন, সামাজিক অবকাঠামো শক্তিশালী করা এবং পুরো অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করাও লক্ষ্য।

সূত্র : আরিয়ানা নিউজ

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ