প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বহুদিন পর মুক্তি পেলাম, আসলে করোনাভাইরাসের সময় তো একেবারে বন্দীখানায় ছিলাম, আজকে আমার ইচ্ছে ছিল নিজের হাতে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিবো। স্বাধীনতা পুরস্কার একবার নিজের হাতে দিতে পারিনি। কিন্তু বার বার তো এভাবে নিজেকে আমি বঞ্চিত করতে পারি না। স্বাধীনতা পুরস্কারটা বিজয়ীদের হাতে তুলে দিতে পারছি; এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের। বহুদিন পরে অফিসে আসার সুযোগ পেলাম। এতদিন তো ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে সব কাজ করেছি। সেজন্যই বোধ হয় একটু বেশি কথা বলে ফেললাম। কিছু মনে করবেন না।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকালে স্বাধীনতার পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৯ ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি এটুকু খালি বলব, যে জাতি নিজের মাতৃভাষার জন্য বুকের রক্ত দেয়, স্বাধীনতার জন্য বুকের রক্ত দিয়ে যায়, যে মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারে না। যে কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমিও তাই বিশ্বাস করি। অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে আজকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আমরা যে এগিয়ে যাচ্ছি, এ যাত্রা যেন অব্যাহত থাকে। সমগ্র জাতির কাছে, প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে সেটাই আমার আহ্বান থাকবে।
তিনি বলেন, এদেশকে আমরা এমনভাবে গড়ে তুলবো যে বাঙালি জাতিকে যেন বিশ্বের কারো কাছে মাথা নত করে চলতে না হয়। মাথা উঁচু করে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলবো। মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে আমরা এগিয়ে যাবো।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে পদক পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী, শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম), আব্দুল জলিল, সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস ও মরহুম সিরাজুল হক।
চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া ও অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল ইসলাম এবং স্থাপত্যে প্রয়াত স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন পুরস্কার পেয়েছেন।









