গাজ্জা উপত্যকায় শিশুদের উপর হত্যাকাণ্ড চালাতে ঘুড়ি ওড়ানোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল বলে মন্তব্য করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
রোববার (২৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এ মন্তব্য করেন।
এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ হুমকি দেন, ইসরাইলের দিকে বেলুন ও ঘুড়ি ওড়ানো বন্ধ না হলে গুপ্তহত্যা অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং গাজ্জা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করা হবে।
কাসেম বলেন, “মনগড়া অজুহাতের ভিত্তিতে দেওয়া এসব হুমকি আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন ও লঙ্ঘন অব্যাহত রাখার ন্যায্যতা তৈরির চেষ্টা। শেষ পর্যন্ত এর মাধ্যমে গাজ্জা উপত্যকার শিশুদেরই হুমকির মুখে ফেলা হচ্ছে।”
তিনি আমেরিকার প্রশাসন, মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টর দেশগুলো এবং বোর্ড অব পিসের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে লাগামহীন আগ্রাসন বন্ধ করায় এবং যুদ্ধবিরতিকে ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে।
গাজ্জায় শিশুরা খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য ঘুড়ি ওড়ায়, বিশেষ করে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরগুলোতে। এসব ঘুড়ির কিছু দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার পর বাতাসের প্রবাহে ভেসে গাজ্জা উপত্যকার সীমান্তবর্তী ইসরাইলি এলাকায় পৌঁছে যায়।
ইসরাইল যেটিকে ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করছে, তা নিয়ে ইসরাইলি দখলদারদের এসব দাবি ও হুমকিকে বিপজ্জনক বলে সতর্ক করেছেন কাসেম।
তিনি বলেন, এগুলো মূলত বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে শিশুদের ব্যবহৃত খেলনা।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর










