বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

কারাবাখে সফল অভিযানের পর আজারবাইজান সফরে এরদোগান

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়াভের আমন্ত্রণে দেশটির স্বায়ত্তশাসিত নাখচিভান অঞ্চলে এক দিনের সফরের উদ্দেশ্য আজ সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তুরস্ক ছাড়ছেন প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান।

দক্ষিণ ককেশাসের কারাবাখ অঞ্চলে অবৈধ আর্মেনিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের পরপরই এ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আজারবাইজানের পক্ষ থেকে।

তুর্কি যোগাযোগ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সফরে কারাবাখের সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন এ দুই প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়েও আলোচনা করবেন তারা।

গত সপ্তাহে, নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আজারবাইজান। অভিযান শুরু হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই নাগোরনো-কারাবাখের আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণ ও অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে রাজি হয়।

গত বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়াভ কারাবাখে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করে বলেন, অঞ্চলটি পুরোপুরি বাকুর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আশা করা হচ্ছে, নাখচিভানের আধুনিক সামরিক কমপ্লেক্সের উদ্বোধন ও ইগদির-নাখচিভান প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন এ দুই নেতা।

উল্লেখ্য; ২০২০ সালে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে আঙ্কারা ও বাকু। যার মাধ্যমে তুরস্ক থেকে নাখচিভানে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করতে রাজি হয় আঙ্কারা।

৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ইগদির থেকে আজারবাইজানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত সেদেরেক পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। যার দৈনিক গ্যাস সরবরাহের ক্ষমতা ১.৫ ঘনমিটার (এমসিএম) নিয়ে বছর শেষে ৫০০ মিলিয়ন ঘনমিটারে দাড়াবে।

প্রকল্পটি তুরস্কের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন “বোতাস” কোম্পানি ও আজারবাইজানের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সোকারের মধ্যে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।

সূত্র: ইয়ানি সাফাক

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ