কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আগামী বোরো মৌসুম পর্যন্ত সারের কোনো সমস্যা হবে না।
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসব কথা বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সারের ১৭টি প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে। এর মধ্যে আবার তিনটি প্রধান উপাদান, নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম। আমাদের ৭ থেকে ৮ লাখ টন পটাশিয়াম প্রয়োজন হয়। পটাশিয়াম শুধুমাত্র বেলারুশ, রাশিয়া এবং কানাডা থেকে পাওয়া যায়। বেলারুশের ওপরে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা ছিল, এখন নতুন করে রাশিয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কানাডা সরকারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করে তাদের থেকে প্রতিশ্রুতি আদায় করেছি, আমাদের প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম তারা সরবরাহ করবে। আরেকটি হলো টিএসপি, আমাদের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে সমস্যা হবে না।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের ইউরিয়া প্রয়োজন হয় ২৫ লাখ টন। এর মধ্যে ১০ লাখ টন আমরা স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করি। এর প্রতি কেজি খরচ হয় ১৮ থেকে ১৯ টাকা। এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ইউরিয়ার দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা। গ্যাসের সাপ্লাই না থাকায় আমাদের চারটি ফার্টিলাইজার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ৫ থেকে ৬ লাখ টন উৎপাদন কম হবে। আমরা উচ্চ পর্যায়ে কথা বলেছি, বর্তমানে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সেক্ষেত্রে আমাদের সার আমদানি করেই চাহিদা মেটাতে হবে। তবে আগামী বোরো মৌসুম পর্যন্ত আশা করছি, সারের কোনো সমস্যা হবে না। সমস্যা হলো বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে সার।










