ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, দেশের মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগছে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করতে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, সরকার জনগণকে দুর্ভিক্ষের ভয় দেখাচ্ছে। ফলে লুটেরা লুটপাটের আরও সুযোগ নেবে। কৃষকরা উৎপাদন বাড়াতে প্রস্তুত; তাদের যথাযত সহায়তার প্রয়োজন। আর উৎপাদিত ও নিত্যপণ্যের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে দেশে কোন সংকট থাকবে না।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে মহেশপুর হাইস্কুল মাঠে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশচুম্বি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, শিক্ষা সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচনের প্রতিবাদ, মদের বিধিমালা বাতিল, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন এবং দরিদ্রমুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়জুল করীম বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আশংকাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় মানুষ অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিভিন্ন মিডিয়ার জরিপে উঠে এসেছে, দেশের ৬৮ ভাগ মানুষ খাবার কিনতেই হিমশিম খাচ্ছে। খাবার কিনতে সম্পদ বিক্রি করছে মানুষ। বড় একটি অংশ ঋণ করে চলছে। দেশের সম্পদ বিদেশে পাঁচার হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী সিলেবাস থেকে কৌশলে ইসলামী শিক্ষাকে বিদায়ের নানামুখি আয়োজন সম্পন্ন করেছেন। তিনি সিলেবাসে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠছেন। ইসলামী শিক্ষাকে নামমাত্র রেখে পাবলিক পরীক্ষা থেকে বাদ দিয়েছেন। ডারউইনের নাস্তিক্যবাদী অযৌক্তিক মতবাদ সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করে কোমলমতি মুসলিম শিশুদের নাস্তিক্যবাদে ধাবিত করার চক্রান্ত চলছে।










