তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ জবাবদিহিতায় অনেক ক্ষেত্রে আমেরিকার চেয়েও এগিয়ে। বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনে অংশ নিতে গেলে প্রার্থীকে আয়করের ফাইল জমা দিতে হয়। আমেরিকা এমন ব্যবস্থা নেই।
সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে ‘এনআইএমসি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যখন নির্বাচন হয়, সেটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন, মেয়র নির্বাচন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেটিই হোক, তখন প্রার্থীদের ট্যাক্স বা আয়করের ফাইল জমা দিতে হয়। অথচ ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বপালন শেষ করেও ট্যাক্স বা আয়করের ফাইল জমা দেননি। সুতরাং এ ধরনের স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও এগিয়ে আছি।
তিনি বলেন, আমাদের সরকার সুশাসনের ওপর জোর দিচ্ছে বিধায় ক্যাবিনেট ডিভিশনের অধীনে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। কারণ তারা মানুষকে জানাচ্ছে সরকারের দফতরে কীভাবে এবং কী কী সুবিধা মানুষ পেতে পারে। অনেক বিষয়ে সাধারণ মানুষ জানে না। যেমন তথ্য অধিকার আইন অনেক সাধারণ মানুষ জানেন না। এমনকি অনেক সাংবাদিকও ভালো মতো জানেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর এ আইন সংসদে পাস হয়। এ আইনের বলে গঠন হয় তথ্য কমিশন। তথ্য কমিশন গঠিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অনেকে সরকারি কিংবা বেসরকারি দফতরে গিয়ে তথ্য না পেয়ে তথ্য কমিশনের মাধ্যমে আবেদন করে সমাধান পেয়েছেন। কিন্তু আইন না জানার ফলে তথ্য চুরি করার চেষ্টা হয়, সরকারি অফিসে পিয়ন, দারোয়ান বা যে ফাইলের ফটোকপি করে তার থেকে তথ্য নেয়া হয়। এ জন্য তাদের ম্যানেজ করা হয়। কিন্তু এগুলোর প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। কারণ আমাদের তথ্য অধিকার আইন আছে। তথ্য অধিকার আইনেও যদি আপনি না পান তাহলে আদালত রয়েছে।










