রবিবার | ১৫ ফেব্রুয়ারি | ২০২৬
spot_img

ড. ইউনূসের সঙ্গে বিশ্বনেতাদের সাক্ষাৎ; বাংলাদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁর সরকার ও বাংলাদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বিশ্বের অসংখ্য প্রভাবশালী নেতারা।

আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর‌) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেসবুকে পেইজে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের অবসরে প্রফেসর ইউনূসের হোটেল স্যুইটে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। লাটভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও নিজামী গঞ্জাভি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারের (এনজিআইসি) সহ-সভাপতি ভাইরা ভিকে-ফ্রেইবার্গা এর নেতৃত্ব দেন প্রতিনিধিদলটি।

উচ্চপর্যায়ের এই দলে ছিলেন, স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বোরুত পাহর, সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস টাডিচ, লাটভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এগিলস লেভিটস, ইউরোপীয় কাউন্সিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী চার্লস মিশেল, গ্রিসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জর্জ পাপান্দ্রেউ, বুলগেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট রোজেন প্লেভনেলিয়েভ ও পেতার স্টোয়ানোভ, ক্রোয়েশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো জোসিপোভিচ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্লাদেন ইভানিচ এবং মরিশাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট আমিনাহ গুরিব-ফাকিম।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কমনওয়েলথের সাবেক মহাসচিব, জর্জিয়ার সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চার সাবেক সভাপতি, একাধিক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিশ্বব্যাংকের সাবেক সহ-সভাপতি ও এনজিআইসি সহ-সভাপতি ইসমাইল সেরাগেলদিন, রবার্ট এফ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস-এর সভাপতি কেরি কেনেডি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) ও জর্জটাউন ইনস্টিটিউট ফর উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি।

নেতারা অধ্যাপক ইউনূসের দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি আজীবন অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।

একজন নেতা বলেন, “আমরা আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে সমর্থন করতে এখানে এসেছি। আমরা আপনার পক্ষে আছি।”

তারা স্বীকার করেন যে, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অগ্রগতি অর্জন করেছে, তবে গত ১৬ বছরের দুর্নীতি, স্বৈরশাসন ও শোষণের কারণে দেশটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অনেকে প্রতিশ্রুতি দেন যে, পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা করবেন।

কেরি কেনেডি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর শেষে দেশের মানবাধিকার অগ্রগতির প্রশংসা করেন। জর্জটাউন ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মেলান ভারভিয়ার ঘোষণা করেন যে প্রতিষ্ঠানটি শিগগিরই বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের প্রতি তাদের আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করবে। এনজিআইসি সহ-সভাপতি ইসমাইল সেরাগেলদিন বলেন, “আপনার যদি আমাদের প্রয়োজন হয়, আমরা আছি।”

অধ্যাপক ইউনূস অপ্রত্যাশিত এ সমর্থনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এটি একেবারেই অভাবনীয়। আপনাদের একসঙ্গে এমনভাবে আমাদের পাশে দাঁড়াতে দেখে আমি সত্যিই আবেগাপ্লুত।”

আসন্ন সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বৈঠকে এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদও উপস্থিত ছিলেন।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ