spot_img
spot_img

শাপলা থেকে জুলাই, এক যুগের গল্প নিয়ে গল্প সংকলন “তারাদের রাত”

শাপলা নিয়ে লেখা গল্প, লেখকদের ভূমিকা এবং ২০১৩-১৪ সালের শাপলা পর্ব থেকে ২০২৪-২৫ সালের জুলাই পর্ব পর্যন্ত টিকে থাকার গল্প নিয়ে একটি গল্প সংকলন তৈরি হয়েছে। এক যুগ ধরে লেখা এসব গল্পের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন, আত্মজাগরণ এবং নতুন নির্মাণের পথচিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

সংকলনের ভূমিকায় বলা হয়েছে, শাপলা নিয়ে কেন গল্প লেখা হলো, কীভাবে এসব গল্প লেখা হয়েছে, কারা লিখেছেন এবং কীভাবে এক যুগ ধরে এসব লেখা টিকে থেকে একটি বইয়ে রূপ নিয়েছে, সেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। তবে এসব গল্প বলার মতো শান্ত সময় এখনো আসেনি। তাই এই মুহূর্তে বিস্তারিত ভূমিকার বদলে কয়েকটি কথাই তুলে ধরা হয়েছে।

ভূমিকায় বলা হয়েছে, জুলাইয়ের আগে শাপলাকে বিচার করার দৃষ্টি বাংলাদেশে তেমন পরিষ্কার ছিল না। শাপলা তখন একটি ‘এক রাতের’ বিষয় হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু জুলাইয়ের আন্দোলন বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনে। সেই নতুন দৃষ্টিতে শাপলার দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশের জাতীয় ফুল কীভাবে সাদা থেকে লাল হয়ে গেল। এর সঙ্গে বদলে গেল একটি রাষ্ট্রের রং, একটি জাতির পরিচয় এবং তার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া।

শাপলাকে মূলত একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, শাপলা মানুষের মগজ ও আত্মায় বিপ্লবের বীজ বপন করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ ও বাংলাদেশের আত্মজাগরণ ঘটিয়েছিল শাপলা। সেই জাগরণের ধারাবাহিকতায় একটি নতুন যুগ তৈরি হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ নতুন নির্মাণে নেতৃত্ব দিতে এবং ইতিহাসের ধারায় নিজেদের অবস্থান খুঁজে নিতে এগিয়ে গেছে।

সংকলনে এক যুগের ব্যবধানে লেখা গল্প রয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে লেখা গল্পের পাশাপাশি ২০২৪-২৫ সালে লেখা গল্পও রয়েছে। লেখকদের ভালোবাসা ও আগ্রহ নিয়ে দেওয়া এসব গল্প একত্র করে একটি বড় ক্যানভাসের উপন্যাসের মতো পাঠকের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

ভূমিকায় আরও বলা হয়েছে, একেকটি গল্পকে একেকটি অধ্যায় হিসেবে পড়লে পাঠকের সামনে বাংলা সাহিত্যের নতুন ধারা এবং বাংলাদেশের সাহিত্যের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি চিত্র ফুটে উঠবে।

এই বই তৈরির পেছনে গত এক যুগে বহু মানুষের সাহায্য, সহযোগিতা, পরামর্শ, সাহস ও উৎসাহ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। বিশেষভাবে কবি মোশাররফ হোসাইনের নামও স্মরণ করা হয়েছে।

বইটি সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন মুহিম মাহফুজ।
প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী খন্দকার যুবাইর।
প্রকাশ করেছেন ‘ইলহাম’।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ