ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, ভারতের মিডিয়া বাংলাদেশ ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। বাংলাদেশে বসেও একটি শ্রেণি তাল মিলাচ্ছে। এদেশের সংখ্যালঘুরা রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধা মুসলমানদের চেয়ে বেশী ভোগ করছে, যা বিশ্বে বিরল। সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে কেউ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র সাজিয়েছে কিনা, তা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে।
বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের চলমান সংকট উত্তরণের লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে ওলামা মাশায়েখ ও রাজনীতিবিদগণের সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, সাম্প্রদায়িক রঙ লাগিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে ফেলতে পুজামণ্ডপে কুরআন অবমাননা ও পরবর্তীতে সারাদেশে হামলা ও অগ্নিসংযোগ ঘটনার অবতারণা করা হয়েছে। একথা স্পষ্ট যে, এসকল ঘটনায় ধর্মভিত্তিক কোনও দল, সংগঠন বা ধর্মপ্রাণ নাগরিক জড়িত নয়।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি শ্রেণি বিক্ষোভ করে সংবিধান, ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী শ্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে। ওই শ্রেণিটি সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দেওয়ার শ্লোগান দিচ্ছে। তাদের শ্লোগানের সঙ্গে ভারতের উগ্রবাদী সংগঠন বিজিপি’র শ্লোগানের মিল রয়েছে, যা দেশবাসীকে উদ্বিগ্ন করে তুলছে।
তিনি বলেন, কথিত কিছু বুদ্ধিজীবী দেশে কোনও সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটলেই আলেম ওলামা ও ইসলামী সংগঠনগুলোকে একতরফা দায়ী করে ৭২’এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে এদেশে ইসলামপন্থীদের সকল তৎপরতা বন্ধের দাবি তুলছে। যাতে স্পষ্ট ইসলামপন্থিদেরকে ঘায়েল করতে পরিকিল্পিতভাবে এগুলো করা হচ্ছে।











