spot_img
spot_img

গুলশানের সেই ফ্ল্যাটে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি আনভীরের যাতায়াত ছিল: জানিয়েছে পুলিশ

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া গুলশানের যে ফ্ল্যাটে থাকত সেখানে যাতায়াত করতেন।

ভবনটি থেকে উদ্ধার করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ কথা জানান। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ চন্দ্র চক্রবর্তী

তিনি বলেন, ‘ওই ফ্ল্যাটে তার (আনভীর) যাতায়াত ছিল, সে ব্যাপারে সংগৃহীত ফুটেজে প্রমাণ মিলেছে। তবে ঘটনার দিন তার যাওয়ার কোনো প্রমাণ ফুটেজে পাওয়া যায়নি।’

গত সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাটে থেকে কলেজছাত্রী মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সায়েম সোবহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। ১ লাখ টাকা ভাড়ার ওই ফ্ল্যাটে নিয়মিত যাতায়াত করতেন করতেন সায়েম সেবহান। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো করে থাকতেন। মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া অভিযোগ করেন, তার বোনকে বিয়ের কথা বলে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিলেন আনভীর।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুনিয়ার ময়নাতদন্তের পর লাশ কুমিল্লায় নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দাফন করেছেন স্বজনরা।

এদিকে ওই ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার উদ্ধার করা ডায়েরি নিয়ে তদন্ত এগিয়ে চলছে জানিয়ে বুধবার উপকমিশনার সুদীপ চন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, ‘ডায়েরিতে আনভীরের সঙ্গে সম্পর্ক, মনোমালিন্য, জীবন সম্পর্কে হতাশার কথা লেখা রয়েছে। আরও বেশ কিছু কথা লেখা রয়েছে তা যাচাই করা হচ্ছে।’

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ