স্টুডিওতে অস্ত্রশস্ত্রসহ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মূল অপরাধ এবং নাগরিক নিরাপত্তার বিষয়টি আড়াল করে চাঁদাবাজির বয়ান তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, তার ওপর সংঘটিত অপরাধ ও দখলদারত্বের চেয়ে চাঁদাবাজি শব্দটি বিএনপির নেতারাই বেশি প্রচার করেছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির এসব কথা বলেন।
সালমান মুক্তাদির বলেন, ইসিবি চত্বরে তার স্টুডিওতে অস্ত্রশস্ত্রসহ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বাস্তবতাকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, ঘটনাটি কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের বিষয় ছিল না। বরং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের বর্তমান সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ ছিল।
তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিরুদ্ধে ২০ থেকে ৩০ ধরনের ভিন্ন ভিন্ন বয়ান তৈরি করা হচ্ছে। মূল অপরাধ, অস্ত্র প্রদর্শন ও মালামাল লুটের তথ্য এড়িয়ে দলটির নেতারাই চাঁদাবাজি শব্দটি বেশি ব্যবহার করছেন।
সালমান মুক্তাদির বলেন, “আমার চেয়ে আপনারাই নিজেদের চাঁদাবাজি ব্র্যান্ডিংটা বেশি করে ফেলেছেন।”
তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে ছড়ানো নানা বয়ানের জবাব দিতে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে তিনি জাতীয় গণমাধ্যমে সবার সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংঘাত বা উসকানি চান না উল্লেখ করে সালমান মুক্তাদির বলেন, “আমার কোনো ক্ষতিপূরণ লাগবে না। ১৫ বছরের জমানো সম্বল হারিয়ে শূন্য থেকে শুরু করতে হলেও আমি দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাই।”
উদ্ধার হওয়া মালামাল যদি প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল জনকল্যাণে কিংবা মানুষের কর্মসংস্থানে বিতরণ করতে চায়, তাতেও তার কোনো আপত্তি নেই বলে জানান তিনি।
একই সঙ্গে পুরো ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদার ও সম্মানজনক আচরণের প্রশংসা করেন সালমান মুক্তাদির। দেশের সাধারণ নাগরিকের জানমালের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বানও জানান তিনি।











