মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ঢাকার পরে মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার চট্টগ্রাম। মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জায়গাগুলো সংরক্ষণ করবো। এখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মহাপরিকল্পনা চলছে। একমাস আগে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জায়গা দেখে গেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। বিস্তরিত আলোচনাও হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের খুবই ভালোবাসেন বলেই অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়টিতে সম্মতি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীস্থ পোর্ট কানেক্টিং রোডের পাশের এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, এই জমিগুলো প্রতীকী মূল্যে আমাদের মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখবো। আপনাদের যে পরিকল্পনা, তা বাস্তবায়ন ও সংরক্ষণ করবো। পরবর্তী সময়ে যেন মানুষের সামনে তা উপস্থাপন করা যায়, সে ব্যবস্থা করবো। এখানে বড় পরিসরে বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্যও নির্মাণ করা হবে।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য যে জায়গা বাছাই করা হয়েছে, সেটি চমৎকার। এত সুন্দর জায়গা দেখে আমি অভিভূত। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এই এলাকা স্বর্ণের খনিতে রূপান্তর হবে। এই অঞ্চলের গুরুত্ব বাড়বে, ব্যাপক উন্নয়ন হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নিউইয়র্কের স্ট্যাচু অব লিবার্টির মতো গুরুত্ব পাবে।











