লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামাস ও হিজবুল্লাহর উচ্চপর্যায়ের নেতাদের মাঝে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ফিলিস্তিনের গাজায় ১১ দিনব্যাপী ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের বোমা হামলা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া ও হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর নেতৃত্বাধীন হামাস ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কীভাবে সর্বশেষ ইসরাইলি সহিংসতার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া। এছাড়া হামাস এবং হিজবুল্লাহর মাঝে বিদ্যমান গভীর সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ফলাফল নির্ধারণী যুদ্ধে মূল ভূমিকা পালনকারী উভয়ের সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়।
ফিলিস্তিনি শরণার্থী ও তাদের বংশধরদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অধিকার, পুনর্বাসন কিংবা বিকল্প আবাসনের প্রক্রিয়া প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তার গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে হানিয়া বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগ পর্যন্ত লেবাননে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা হলেন দেশটির অতিথি। লেবাননের সুরক্ষা ও স্থিতিশীলতায় তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হানিয়া আরও বলেন, পবিত্র কুদস বা জেরুসালেম এখনো দখলদারদের সাথে সংঘর্ষের মূল কেন্দ্রবিন্দু! আর প্রতিরোধ সংগ্রামই হলো তা থেকে মুক্তির কৌশলগত উপায়।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ঐক্যই হলো স্বাধীনতা অর্জনের মূলভিত্তি।
এর আগে গত রবিবার (২৭ জুন) ইসমাইল হানিয়ার নেতৃত্বাধীন হামাসের একটি প্রতিনিধি দল বৈরুতে গিয়ে পৌঁছে এবং প্রেসিডেন্ট মিশাল আউন, সংসদ স্পিকার নাবিহ বির্রিসহ আরও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে।
উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরের পর এটিই ছিলো হামাস ও হিজবুল্লাহর প্রধানদ্বয়ের মাঝে প্রথম বৈঠক।
সূত্র: আল জাজিরা।












