চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য অলিউর রহমান এবং সাবেক মহিলা সদস্য সাহেলা বেগমের বিরুদ্ধে ঘুসের বিনিময়ে নারীদের স্বামী জীবিত থাকা সত্ত্বেও বিধবা ভাতার কার্ড দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণও পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মাহামুদুল হাসান বলেন, আমি চলতি বছরের জানুয়ারিতে দায়িত্ব পেয়েছি। আমার সময়ে এমন কোনো অনিয়ম হয়নি। আগের ইউপি সদস্যরা এমন কাজ করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস বলেন, স্বামী বেঁচে থাকতে যারা বিধবা ভাতার টাকা পাচ্ছে এমন কয়েকজনের কার্ড ফেরত নেওয়া হয়েছে। বাকি সব বইও সংগ্রহ করেছি, যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যে চেয়ারম্যান-মেম্বাররা এসব অবৈধ কাজে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











