শনিবার | ৩১ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

ইসরাইল-সৌদির কাছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করছেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ঘিরে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একযোগে ইসরাইল ও সৌদি আরবের কাছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে আমেরিকা।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় ওয়াশিংটন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে, ইসরাইলের কাছে ৩০টি অ্যাপাচি আক্রমণকারী হেলিকপ্টার বিক্রির জন্য ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে। গাজায় সাম্প্রতিক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পরপরই এ সিদ্ধান্ত আসে। একই প্যাকেজের অংশ হিসেবে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের যৌথ লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকল বিক্রিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইসরাইল যেন শক্তিশালী আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারে, সেই লক্ষ্যে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তারা।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের কাছেও প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির আওতায় ৭৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে, যা আকাশপথে আসা হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম।

গত বছর ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। একই সময়ে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

যদিও সৌদি আরব ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র নয়, তবু তারা ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলো আশঙ্কা করছে, বড় ধরনের অস্থিরতা তাদের ব্যবসাবান্ধব ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাবনা বিবেচনা করে আসছিল সৌদি আরব। তবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে সেই উদ্যোগ বর্তমানে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে মূল লক্ষ্য হিসেবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র: এএফপি

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ