ইসলামী শিক্ষার অভাবে মানুষ বিপথগামী হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষা সংকোচন নীতি অবলম্বন করেছে সরকার। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রেসক্রিপশনে সরকার সিলেবাসে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা অন্তর্ভূক্ত করছে। অপরদিকে ইসলামী শিক্ষা সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। সিলেবাসে ইসলামী শিক্ষা রাখা হয়েছে ধোকা হিসেবে। পাবলিক পরীক্ষায় ইসলামী শিক্ষার কোন পরীক্ষা হবে না। যে শিক্ষার পরীক্ষা হবে না, তা কখনো ছাত্ররা পড়বে না। ঐচ্ছিক হিসেবে ইসলামী শিক্ষাকে সিলেবাসে রাখা হয়েছে।
আজ (৩১ আগস্ট) বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলাস্থ একটি মাদরাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাবে যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে এগুচ্ছে। নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন জাতি গঠনে শিক্ষার সকলস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং তা মূল শিক্ষার অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, শ্রমিকরা আল্লাহর বন্ধু। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দেয়া মালিকদের কর্তব্য, শ্রমিকদেরও পুরোপুরি দায়িত্ব পালন করা অত্যাব্যশক। ইসলামে শ্রমিকদের অনেক মর্যাদা দেয়া হয়েছে। কাজেই নিজকে ছোট ভাববার কারণ নেই। মালিক-শ্রমিক মিলে মিশে কলকারখানা পরিচালনা করলে তাতে উভয়ই লাভবান হবে। তিনি সকলকে ইসলামের আলোকে নিজ জীবন পরিচালনা করার আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, শহিদুল ইসলাম, শায়খুল হাদীস মুফতি বাকি বিল্লাহ, নাসির উদ্দিন, মাওলানা মনিরুজ্জামান প্রমুখ।










