অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় কলেজের জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।
সভায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাসানকে তিন বছর এবং আরও দুই শিক্ষার্থীকে দুই বছর ও সাতজনকে এক বছরের জন্য কলেজের সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে ক্যম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরার আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. চিত্তরঞ্জন দেবনাথের সভাপতিত্বে গতকাল সন্ধ্যায় এক জরুরি সভা শেষে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসে মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশসহ সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কলেজের ছাত্রাবাস ও কলেজ ক্যাম্পাসের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুলিশসহ সকল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা কলেজ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়াই যেকোনো শিক্ষার্থীকে আটক এবং তার কক্ষে তল্লাশিসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
কলেজের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এদিন জরুরি একাডেমিক সভা বসে। তদন্তে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রমাণিত হয়।
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় শিক্ষককে অপবাদ দিয়ে তার সম্মানহানি করায় কলেজের ৫৩ ব্যাচের ছাত্র ও কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাসানকে তিন বছর এবং ওই অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করায় আরও দুই শিক্ষার্থীকে দুই বছর ও সাতজনকে এক বছরের জন্য কলেজের সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।











