spot_img
spot_img

পদত্যাগে অস্বীকৃতি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার

চরম অর্থনৈতিক সংকটের পড়ায় উত্তাল হয়ে উঠেছে দ্বীপ রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ভয়াবহ সংকট ও খাদ্য-ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছে দেশটির সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। ক্রমেই তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী এই আন্দোলন। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

গোতাবায়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের চিফ হুইপ জনস্টোন ফার্নান্দো বুধবার পার্লামেন্টের আইন প্রণেতাদের প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তের কথা।

ফার্নান্দো বলেন, আমাদের প্রেসিডেন্ট বলেছেন- তিনি একটি দায়িত্বশীল সরকারের প্রধান নির্বাহী এবং কোনও পরিস্থিতিতেই তিনি পদত্যাগ করবেন না।
১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ তলানিতে নেমে যাওয়া এর একটি বড় কারণ।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়; কিন্তু দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এতটাই কমেছে যে, তা দিয়ে এক মাসের আমদানি ব্যয়ও মেটানো যাবে না।

এদিকে, শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর। মঙ্গলবার জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জনবিক্ষোভ থামাতে শ্রীলঙ্কার সরকার সামরিক পন্থার আশ্রয় নিচ্ছে এবং এতে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটের কোনও সমাধান হবে না, উপরন্তু দেশটির সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা আছে।

সূত্র: বিবিসি

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ