ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ ইমতিয়াজ আলম বলেছেন, এককালের পহেলা বৈশাখের আনন্দ মিছিলকে বর্তমান সময়ে হিন্দুয়ানী মঙ্গল শোভাযাত্রায় পরিণত করা হয়েছে। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের পরামর্শে আমদানি করা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি কৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দেশব্যাপী। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের বিশ্বাস ও বাঙালি সংস্কৃতি পরিপন্থী হিন্দুয়ানী বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রচলন করা হয়। যা চরম ইসলামবিদ্বেষী।
বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানী ঢাকার ধুপখোলাস্থ মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন সেন্টারে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গেন্ডারিয়া থানা শাখার উদ্যোগে ‘মাহে রমজানের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা, নবাগত সদস্য সম্মেলন ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, ষোড়শ শতকে মোঘল সম্রাট আকবরের সময়ে ফসল রোপণ ও কর আদায় সহজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় বাংলা বর্ষপঞ্জি। হালখাতা ও পিঠাপুলি উৎসবের মাধ্যমে আবহমানকাল থেকে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়ে আসছে। মাত্র তিন দশক থেকে একটি মহল মঙ্গল শোভাযাত্রার নামে মনগড়া ও নির্দিষ্ট ধর্মের প্রতীক ব্যবহার করে সার্বজনীন বাঙালি সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র উৎসব ও জাতিসত্তার ধর্মীয় বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করছে। এখানে মঙ্গল শোভাযাত্রার অনুমতি মিললেও ঢাবিতে মহিলাদের নামাজের অনুমতি হয় না। নামাজের জায়গা উচ্ছেদ করা হয়। এধরণের দ্বৈত্যনীতি শাসকগোষ্ঠীর জন্য ভয়ানক পরিণতি বয়ে আনবে।
সংগঠনের গেন্ডারিয়া থানা সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী হাকীম মোঃ আনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সদস্য সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম, হাজী আনিসুর রহমান, হাজী আব্দুশ শাকুর, হাফেজ শামসুল হক, হাজী আবুল বাশার মুন্সি, হাজী মো. মাছুম বিল্লাহ, শরিফুল ইসলাম শাহীন, জয়নাল আবেদীন, মুফতী মাহবুবুর রহমান, শাহজালাল ইবনে আজিজ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন থানা, ওয়ার্ড ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।










