spot_img
spot_img

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পশ্চিমারা নিজেরাই বিপদে পড়েছে : পুতিন

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ চালাচ্ছে রাশিয়া। এই সামরিক অভিযান শুরুর পর রাশিয়ার ওপর হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। আর নিষেধাজ্ঞার জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ে।

তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞাগুলো দিয়েছে। তার কারণে পুরো বিশ্ব অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে। তবে এতে রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব আরও শক্ত হয়েছে।”

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার দূরপ্রাচ্য অঞ্চলের শহর ভ্লাদিভস্টকে এক অর্থনৈতিক সম্মেলনে পুতিন পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং এর পরিণতি নিয়ে দীর্ঘ বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পশ্চিমাদের এই নিষেধাজ্ঞা কাজ করছে না বরঞ্চ এতে পশ্চিমা দেশগুলোর পতন ঘটছে, আর এর বিপরীতে নতুন শক্তি হিসেবে এশিয়ার উত্থান হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি কীভাবে ইউরোপে উৎপাদন কমছে এবং মানুষজন চাকরি হারাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের চোখের সামনে ডলার, পাউন্ড এবং ইউরো দুর্বল হচ্ছে। আমি নিশ্চিত আমাদের কোনও ক্ষতি হয়নি এবং আমাদের কোনও ক্ষতি হবেও না…আমাদের সার্বভৌমত্ব আরও সংহত হয়েছে।

তিনি বলেন, পশ্চিমারা নগ্নভাবে সবাইকে তাদের কথামত চলতে বলছে। আর সবাইকে সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে তাদের কাছে নতজানু হতে বলছে। তারা পুরোনো বিশ্ব ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে চায়।। কারণ এটি কেবল তাদের জন্য সুবিধাজনক। এই নীতি তারা বহুদিন ধরে অনুসরণ করছে।

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য বেঁধে দেওয়ার ইউরোপীয় পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করে প্রেসিডেন্ট পুতিন হুমকি দেন ইউরোপের কাছে জ্বালানি বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন তিনি।

পুতিন বলেন, আমরা গ্যাস দেব না, তেল, কয়লা – কোনো কিছুই আমরা বিক্রি করবো না।যদি তা রাশিয়ার স্বার্থের বিরুদ্ধেও যায়।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছ থেকে এই হুমকির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার গ্যাসের দামের সর্বোচ্চ মূল্য বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাব করে। গত সপ্তাহে রুশ তেলের আমদানির ওপরও একইরকম মূল্য বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাব গৃহীত হয়।

সূত্র: বিবিসি

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ