বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত ও চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। রম্যাটেরিয়ালান্সের শিল্প কারখানা তৈরি করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত নিজের ইন্ডাস্ট্রি করতে না পারবো, ততদিন নির্ভরশীল থাকতে হবে। এভাবে হলেও আমাদের রপ্তানি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ মিলনায়তনে ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ওকাব) সঙ্গে মিট দ্য প্রেস এ এসব কথা বলেন তিনি।
টিপু মুনশি বলেন, আজকের কাগজে দিয়েছে যে, সামনের বছর আরও মন্দার দিকে যাবে। প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন সামনের বছরটা পৃথিবী আরও খারাপের দিকে যাবে। সার্বিক অবস্থাটা যে খুব সুন্দর বা স্বস্তিদায়ক তা কিন্তু নয়। এজন্য আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। এখানে ক্রাইসিস হলে বড় রকমের বিপদ আছে আমাদের। সে ক্ষেত্রে চেষ্টা করা হচ্ছে। খাদ্য উৎপাদনে যদি আমরা ভালো করি দেশের প্রয়োজনটুকু যদি কভার করতে পারি তাহলে আমরা বড় রকমের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়ে যাবো পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে যদি পণ্যের চাহিদা কমে যায়। তাহলে সত্যিকার অর্থে বিষয়টি চিন্তার ব্যাপার। কারণ বৈশ্বিক অর্থনীতি খারাপের দিকে।
তিনি বলেন, আমাদের সরকার সচেতন আছে। সেজন্য সরকার বাইরে থেকে কিছু টাকা-পায়সার কথা বলা হয়েছে, আমদানি কমানোতে জোড় দেওয়া হচ্ছে। রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আশেপাশের দেশগুলো ভারত ও চীনে যদি কিছুটা রপ্তানি বাড়াতে পারি। সেটা একটা ভালো খবর হবে। সব মিলিয়ে বৈশ্বিক পরিস্থিতি যদি উন্নত না হয় তাহলে আমরা এই পরিস্থিতি খুব সহসা কাটিয়ে উঠতে পারবো বলে মনে হয় না।











