জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ও প্রচার সম্পাদক মুফতী রফিকুন্নবী হাক্কানী বলেছেন, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলে সংবিধান দিবসে আইনমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
রোববার (৬ নভেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯২ শতাংশ মুসলমানদের দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম আছে ছিল, থাকবে, এটা গণমানুষের দাবি। ইসলাম বিদ্বেষী গোষ্ঠীর এজেন্ট হাতে গোনা কিছু লোকের মন রক্ষায় সরকার যদি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাদ দিতে চায় তবে দেশবাসী মনে করবে ক্ষমতাসীন সরকার জনগণকে খুশি করতে নয়, বিদেশি প্রভূ ও তাদের এজেন্টদের খুশি করতে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাতিল করতে চায়।
তারা বলেন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম একটি মীমাংসিত বিষয়। এটা নিয়ে রাজনীতি করার কোন সুযোগ নেই। সরকারের সুবিধাভোগী কিছু দুস্কৃতিকারী একইভাবে ইসলাম বিদ্বেষী ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ইসলামী শিক্ষা উঠিয়ে দিয়ে ভিনদেশি শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রচলন করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সরকারের কোনো কোনো মন্ত্রীর বক্তব্য ও তৎপরতা বলে দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মুখে মদীনা সনদের কথা বলে মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিয়ে বিধর্মীদের প্রেসক্রিপশন এ অন্যকোন সনদে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। যে কারণে তারা বাংলাদেশ থেকে ইসলামের নাম গন্ধ মুছে দিতে চায়। তারা বলেন, পীর আউলিয়ার বাংলায় ইসলাম ও মুসলমানদের চিন্তা চেতনা বিরোধী কোনো পদক্ষেপ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেওয়া হলে তা দেশবাসী অতীতে মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতে ও মেনে নেবে না।











