spot_img
spot_img

শনিবার ফিলিস্তিনে আংশিক কাউন্সিল নির্বাচন

কাউন্সিল নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল কর্তৃক দখলকৃত ফিলিস্তিন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় প্রতিনিধি নির্ধারণে আংশিক কাউন্সিল নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ফিলিস্তিন।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ৪২০টির মধ্যে ১৮৩টি কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১০ লাখ ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি এই স্থানীয় নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

নির্বাচন আয়োজনের জন্য ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ৪৯১টি ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত করেছে, যার মধ্যে ১২টি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজ্জার দিয়ার আল-বালাহে অবস্থিত। মোট ভোটকক্ষের (পোলিং স্টেশনের) সংখ্যা ১ হাজার ৯২২টি।

কমিশন ৬ হাজার ৪৬৩ জন প্রার্থী ও তালিকার এজেন্টকে অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া ১৪৫ জন অতিথি ও কূটনীতিক এবং ৬৯টি পর্যবেক্ষণ সংস্থার ২ হাজার ৫৩৯ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুধু গাজ্জার দিয়ার আল-বালাহের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৩৩৬ জন পর্যবেক্ষককে, যার মোট ভোটার সংখ্যা ৭০ হাজার ৪৪৯ জন।

এর পাশাপাশি ১২০টি গণমাধ্যমের ৮০৬ জন সাংবাদিক, যার মধ্যে ১৪টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও রয়েছে, তারা এই নির্বাচন কভার করবেন বলে জানায় কমিশন।

নির্বাচনের দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১০ হাজার ৬০০-এর বেশি কর্মী নিয়োজিত থাকবেন, যার মধ্যে দিয়ার আল-বালাহে থাকবেন ৬৫১ জন।

কমিশন আরো জানায়, এই নির্বাচন নভেম্বর ২০২৫-এ জারি করা নতুন নির্বাচন আইনের আওতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে পৌর কাউন্সিলের জন্য আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি এবং গ্রাম কাউন্সিলের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি সরকার সারা দেশে স্থানীয় নির্বাচন আহ্বান করেছিল। পরে দিয়ার আল-বালাহ ব্যতীত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজ্জা উপত্যকার অধিকাংশ এলাকায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি অন্যান্য স্থানীয় কাউন্সিলেও কিছু সমন্বয় আনা হয়, যার ফলে মোট কাউন্সিলের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪২০ এ।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৪৯৪,৭৩৩ জন (৫১.৬%) এবং নারী ভোটার ৪৬৪,৩৬৮ জন (৪৮.৪%)। এছাড়া ৩১,৫৭০ জন ভোটার প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, যা মোট ভোটারের ৩.৩ শতাংশ।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, এমন প্রার্থীর মোট সংখ্যা ৩,৭৭৩ জন। এর মধ্যে ২,৫৭৩ জন পুরুষ এবং ১,২০০ জন নারী। তালিকাধীন ৯০টি পৌর কাউন্সিলের মধ্যে ৮ দলের নেতৃত্বে রয়েছেন নারী। দলীয় তালিকার হার ১২ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র তালিকার হার ৮৮ শতাংশ।

এছাড়া ৯৩টি গ্রাম কাউন্সিলেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মোট ১,৩৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ১,০৪৯ জন পুরুষ এবং ৩০৯ জন নারী।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৪২টি পৌর কাউন্সিল এবং ১৫৫টি গ্রাম কাউন্সিল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গঠিত হবে (অর্থাৎ কোনো ভোট ছাড়াই)। আর ৪০টি স্থানীয় সংস্থা বা কাউন্সিলের জন্য কোনো প্রার্থী নেই।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ