আগামীকাল পদ্মা সেতু অতিক্রম করে ভাঙ্গা-মাওয়া পরীক্ষামূলক রেল চলবে। এছাড়া ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত সরাসরি যাত্রীরেল চলবে সেপ্টেম্বরে।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১২টায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা পুরনো রেল স্টেশন থেকে পরীক্ষামূলক ট্র্যাককারটি রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। এটি পদ্মা সেতু অতিক্রিম করে দুপুর ২টায় মাওয়া স্টেশনে পৌঁছাবে। এই ট্রেনে থাকবেন রেলমন্ত্রী নরুল ইসলাম সুমন। আনুষ্ঠানিকভাবে এই ট্রেনই প্রথমবারের মতো সেতু অতিক্রম করবে।
এর আগে গত ২৯ মার্চ সেতুর ২৫ নম্বর খুঁটির কাছে বাকি থাকা ৭ মিটার রেলপথ নির্মাণ শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টা পর ট্র্যাক মহড়া হিসাবে সেতুতে রেল চলাচল করেছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে নতুন ব্রডগেজ রেলপথে ট্র্যাক কারে জুরাইনে যাবেন রেলমন্ত্রী। নবনির্মিত বুড়িগঙ্গা রেলসেতু এবং ধলেশ্বরী রেলসেতু পরিদর্শন করবেন তিনি। ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার অংশের কাজের অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ। আর মাওয়া থেকে ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতি ৯২ শতাংশ। পুরো প্রকল্পের অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ।
পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পের মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহম্মেদ বলেন, গ্যাংকার দিয়ে ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত সাড়ে ৪১ কিলোমিটার রেলপথ পরীক্ষা করে দেখবো। এ পথে ডিজাইন-স্পিড ১২০ কিলোমিটার থাকলেও ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে পরীক্ষামূলক টেস্ট-রান চালানো হবে। পদ্মা সেতুর রেলপথ চালু হলে আরও ১ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি পাবে। ট্রান্স এশিয়া রেলপথের সঙ্গে এ লাইনটি যুক্ত হবে।
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঠিকাদার চীনের চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (সিআরইসি)। পুরো প্রকল্প তদারকি করছে সিএসসি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ফাস্ট র্ট্যাক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় যশোরের সঙ্গে রাজধানীর সংযোগ স্থাপনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পে চীনের এক্সিম ব্যাংক ২১ হাজার ৩৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে। চীন সরকার মনোনীত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড চায়না জিটুজি সিস্টেমের আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।











