ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের দখলকৃত পূর্ব জেরুসালেমের আল-আকসা মসজিদ ও এর আশপাশের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা।
বুধবার (৫ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আল-আকসা মসজিদ ও এর আশেপাশের অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন রয়েছি। যার দরুন সকল পক্ষকেই ধৈর্য ও উত্তেজনা এড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি আমরা।”
তিনি আরো বলেন, “এটি বর্তমানে আগের থেকে অনেক বেশি অপরিহার্য বিষয়ে যে, চলমান উত্তেজনা কমানোর জন্য ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের একই সাথে কাজ করা উচিত।”
আল আকসা মসজিদে নামাজরত ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরাইলী বাহিনী আক্রমণ, গ্রেফতার ও আহত করলেও এ বিষয়ে কোন নিন্দা জানায়নি আমেরিকা। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন একটি প্রশ্নের জবাবে কিরবি বলেন, “আমি মনে করি পুরো বিশ্বজুড়ে সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য আমেরিকার খুব শক্তিশালী দলিল রয়েছে। বিশেষ করে সেসব সহিংসতা যা বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কারণে সৃষ্টি হয়েছে ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।”
উল্লেখ্য; গত বুধবার (৫ এপ্রিল) অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা আল-আকসা মসজিদে আক্রমণ চালানোর আহ্বান জানালে একদল ফিলিস্তিনি তা রক্ষায় এগিয়ে আসে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ইসরাইলী পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মুসল্লিদের উপর হামলা চালায়। এ হামলায় গ্রেনেড ও রাবার বুলেটের আঘাতে প্রায় কয়েক ডজন মুসল্লী আহত হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে। লাঞ্ছিত করা হয়েছে মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিদের। গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়েছে মসজিদ প্রাঙ্গনে। শুধু তাই নয় আহত ফিলিস্তিনিদের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের জন্য রেড ক্রিসেন্ট থেকে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হলেও তা দখলদার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়।
সূত্র: মিডিল ইস্ট মনিটর











