spot_img
spot_img

মিশর চায় না ইসরাইলী সেনা হত্যাকারী সেই সীমান্তরক্ষীর দু’আ-জিয়ারত হোক

মাদক পাচার রোধে ৩ ইসরাইলী সেনাকে হত্যাকারী মিশরীয় সীমান্তরক্ষী পুলিশ মুহাম্মদ সালাহর দু’আ-জিয়ারতের আয়োজন হোক তা চায় না মিশর।

মুহাম্মদ সালাহর নিকটাত্মীয়দের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী সালাহর পরিবারকে এই শর্তে তার লাশ হস্তান্তর করেছিলো যে, দ্রুত জানাজার পর গোপনে তাকে দাফন করে ফেলতে হবে। কোনো ধরণের দু’আ-জিয়ারত করা যাবে না। তবে সালাহর পরিবার নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে প্রস্তাব রেখেছিলো যে, দাফনের পর পর দু’আর আয়োজন না করে তা ১ দিনের জন্য পিছিয়ে দেয়া হবে। ফলে লোকজনের উপস্থিতিও কম হবে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানিয়ে দেয় যে, দ্রুত জানাজা শেষে গোপনে দাফন করে ফেলতে হবে সালাহকে।

সালাহর জানাজা ও দাফন এত দ্রুত হয় যে তার মা নিজেও কায়রোর আইনু শামস থেকে কালয়ুবিয়া, আল আম্মারে এসে তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেননি। এর আগেই তার জানাজা ও দাফন হয়ে যায়। তার জন্মভূমি কায়রোর উত্তরের গ্রাম আল আম্মারে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে জানাজা ও দু’আর উদ্দেশ্যে শত শত লোক সালাহর আইনু শামসের বাড়িতে জড়ো হয়, যাদের সকলকে আইনু শামসের গোয়েন্দা বাহিনী ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছিলো।

এছাড়া ইসরাইলী সেনাদের হত্যার ঘটনায় সালাহর ভাই এবং চাচাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নিয়ে গিয়েছিলো নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের আবার মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিলো।

মিশর সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত শনিবার (৩ জুন) ভোরে মাদক পাচার রোধে সীমান্তরক্ষী পুলিশ মুহাম্মদ সালাহ গুলি চালিয়ে ২জন ইসরাইলী সেনাকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ইসরাইল অংশে পাল্টা পাল্টি হামলা শুরু হয়। এতে আরো ১জন ইসরাইলী সেনা নিহত ও অপর ১জন আহত হয়। মুহাম্মদ সালাহও এই সংঘর্ষে শেষমেশ মারা যান।

ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল তাদের মাদক পাচারের সংশ্লিষ্টতা আড়াল করতে সম্পূর্ণ দায়ভার মিশরের উপর চাপিয়ে দেয়। তারা দাবী করে যে, মিশরীয় সেই সীমান্তরক্ষী বিদ্বেষ বশত হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলো।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ