কোনো রাষ্ট্র সেন্টমার্টিন বা কোনো ভূখণ্ড চেয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, আমার জানা মতে কেউ চায়নি।
তিনি বলেন, রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা পৃথিবীর কোনো বন্ধুরাষ্ট্রকেই দেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন, সংবিধান, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো মন্তব্য করতে উৎসাহ দেব না। তারপরও যাঁরা এটা করেন, আমরা কখনোই এটাকে স্বাগত জানাব না। তবে স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, তাঁর সরকার এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে।
গতকাল রোববার (২৫ জুন) কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সংগঠনের সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের বাহিনীদের যাচাই-বাছাই নিয়ে শাহরিয়ার আলম বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশের গর্বের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী, পুলিশ বাহিনী বা সার্বিক অর্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত শান্তিরক্ষী বাহিনী গোটা পৃথিবীতে একটি উদাহরণ। চিঠি দিয়ে এই যে অর্জনকে যারা খাটো করে দেখছেন তাঁরা বাংলাদেশের বন্ধু নন, তাঁরা শত্রু। তিনি বলেন, যাঁরা এটা করেছেন, তাঁরা কংগ্রেসম্যান, সিনেটর, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেই হোন না কেন, তাঁরা আমাদের শত্রু। তাঁদের যাঁরা এগুলো করিয়েছেন পয়সা দিয়ে, বাংলাদেশের মানুষের সময় এসেছে তাঁদের চিনে নেওয়ার। তিনি নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে নিশ্চিত থাকবেন এ ধরনের চিঠির সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।
বিদেশে সরকারের লবিস্ট ফার্ম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের একটি পিআর ফার্ম আছে, নেলসন মুলিনস। তাদের মাসিক ফি ২০ বা ২৫ হাজার ডলার।











