spot_img

ডেমোক্রেসির পরিবর্তে আওয়ামীক্রেসি চলছে : জিএম কাদের

এখন ডেমোক্রেসির পরিবর্তে আওয়ামীক্রেসি চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের।

তিনি বলেন, এখন ডেমোক্রেসির পরিবর্তে আওয়ামীক্রেসি চলছে। যেখানে গভর্মেন্ট অব দ্যা আওয়ামী লীগ, গভর্মেন্ট বাই দ্যা আওয়ামী লীগ এবং গভর্মেন্ট ফর দ্যা আওয়ামী লীগ। এটা কখনোই ডেমোক্রেসি হতে পারে না। আমরা চাই নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সেই সরকার নির্বাচিত হতে হবে। যে সরকার নিজেই নিজের ফলাফল ঘোষণা করতে পারে- তাকে নির্বাচিত সরকার বলা যায় না। বর্তমান আওয়ামীক্রেসি দেশের ইতিহাস বদলে দিচ্ছে, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি ভয়াবহ দেশ রেখে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। তরুণ সমাজ হতাশায় মাদকাসক্ত হয়ে গেছে।

শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, সরকারি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বেছে বেছে আওয়ামী লীগের লোক বসানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মনে করছে দুর্নীতি দমন কমিশনের কাজ হচ্ছে সরকারি দলের দুর্নীতিবাজদের সার্টিফিকেট দেওয়া- যে তারা কোনো দুর্নীতি করেননি।

তিনি আরও বলেন, সব জায়গায় বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে, এটাই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী। ফলে গরিব আরও গরিব হচ্ছে, ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের নামে লুটপাট চলছে। দেশের সাধারণ মানুষের খোঁজ রাখা হচ্ছে না। বর্তমান সরকার স্বাধীনতার পক্ষে হতে পারে, কিন্তু তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শক্তি নয়।

স্মরণসভায় জিএম কাদের আরও বলেন, এরশাদ সাহেবের দেশ পরিচালনার সময়কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১০ নভেম্বর ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত সামরিক আইন জারির মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হয়েছে। ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন সঙ্গতভাবে তিনি দেশ পরিচালনা করেছেন। প্রথম ভাগকে আদালত অবৈধ বলেছে কারণ সংবিধান সঙ্গতভাবে হয়নি। যদি জনগণের কল্যাণে কাজ হয়ে থাকে তাকে অবশ্যই বৈধ বলা যায়।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ