spot_img
spot_img

ইসরাইলী নিরাপত্তা মন্ত্রীর নিন্দা জানিয়েছে আল আজহারের ফতোয়া কমিটির সাবেক প্রধান

গত শুক্রবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ইহুদিদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ তাওরাত পোড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয় এক ব্যক্তিকে। আর এ বিষয়টিকে ‘চরমপন্থী ইসলামের’ ফলাফল বলে দাবি করেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বিন গাভীর। তার এ দাবির নিন্দা জানিয়েছে আল-আজহার আল-শরীফের ফতোয়া কমিটির সাবেক প্রধান শেখ আবদুল হামিদ আল-আত্রাশ।

বেন-গভির বলেন, “আমি এটা শুনে অবাক হয়েছি যে, মত প্রকাশের স্বাধীনতার অজুহাত দিয়ে ইহুদি ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে সুইডিশ পুলিশ। এটিকে কখনোই মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলা যায় না বরং তা স্পষ্ট ইহুদি বিদ্বেষ।”

তিনি আরো বলেন, “আমি ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনের প্রতি আহ্বান জানাই যে, তিনি যেন এ বিষয়ে সুইডিশ সরকারের সাথে জোরালো ভাবে আলোচনা করে যারা কিনা ‘চরমপন্থী ইসলামের’ বিরুদ্ধে লড়াই করছে।”

মিশরের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন ডেপুটি শেখ সাদ ফিকি বলেন, “সুইডেনে তাওরাত পোড়ানোর অনুমোদনের ঘটনার সাথে ‘চরমপন্থী ইসলামের’ সংযুক্ত করা স্পষ্ট বর্ণনাদের অন্তর্ভুক্ত।”

তিনি আরো বলেন, “আমরা সকল মুসলিমকে পৃথিবীর বুকে বিদ্যমান পবিত্র গ্রন্থগুলোকে সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী ও রাসূলদের মধ্যে পার্থক্য না করার শিক্ষা দিয়ে থাকি।”

ফিকি জোর দিয়ে বলেন, “ইসরাইল একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। তারা পবিত্র গ্রন্থ, পবিত্র স্থান বা নবীদের কখনোই সম্মান প্রদর্শন করেনি। শুরু থেকেই এ রাষ্ট্রটি দুর্বৃত্তদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে যা খুব শীঘ্রই ধুলিস্যাৎ হতে যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য; গত শুক্রবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ইহুদিদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয় সিরিয়ান এক নাগরিককে। তবে শনিবার তিনি তার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে গণমাধ্যমকে জানান, “এটি ছিল পবিত্র কুরআন পোড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া। আমি তাদের এটি দেখাতে চাই যে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ও একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা অবশ্যই বিবেচনায় রাখা উচিত।”

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ