spot_img
spot_img

নাকাবা দিবসকে স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত পর্তুগালের; যা বলছে হামাস ও ফিলিস্তিনি সরকার

১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়ার বিষয়টির স্বীকৃতি দিয়েছে পর্তুগাল। যেটি মূলত ‘নাকাবা’ হিসেবে বহুল পরিচিত।

গত শুক্রবার পর্তুগিজ পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে পর্তুগিজ সরকারের অবস্থান নিশ্চিতের জন্য একটি ভোটের ব্যবস্থা করা হয়। ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের উপর ভিত্তি করে নাকাবাঁকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

এছাড়াও নাকাবাঁকে একটি মানবিক সংকট হিসেবে বিবেচনা করার পাশাপাশি দখলদার ইসরাইলের সম্প্রসারণ বাদী নীতিমালার নিন্দা জানিয়েছে পর্তুগিজ সরকার। যা মূলত আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

এদিকে, ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ ও নাকাবাকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে, এই সিদ্ধান্তকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রথম পদক্ষেপ ও ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে থাকার জন্য পর্তুগীজ সরকারের প্রশংসা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নাকাবা দিবসকে স্বীকৃতির জন্য পর্তুগিজ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনি ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

গাজায় হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাইম এই সিদ্ধান্তকে ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটি বিজয় হিসেবে দেখছেন।

তিনি বলেন, “আশা করি পর্তুগিজ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত এই ধরনের পদক্ষেপ গুলো ইসরাইলি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হতে ও ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা সংগ্রামে সমর্থন করবে।”

এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা ও ইসরাইলি দখলদারিত্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

নাকাবা মূলত ১৯৪৮ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের দেশ ত্যাগকে বোঝায়। যার ফলে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এজন্য ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে এটি গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ