পশ্চিমা দেশগুলো যতক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়া-বিরোধী নীতি অনুসরণ অব্যাহত রাখবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের ব্রিকস জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ব্রিকস জোটে যোগ দানের অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে এই জোটের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেওয়া যাবে না।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ এ এসব কথা বলেন।
সের্গেই রিয়াবকভ বলেন, এবারের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন থেকে যেসব দেশকে এই জোটের সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তারা সবাই এই শর্ত পূরণ করেছে। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো তারা একটি গোষ্ঠীভুক্ত এবং প্রত্যেকটি দেশ এই শর্তের বিপরীতে অবস্থান করছে। ফলে ব্রিকস জোটে যোগ দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো এমনকি পশ্চিমা এসব দেশকে পর্যবেক্ষক হিসেবে এই জোটের কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ারও প্রশ্ন নেই। এটা সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব ব্যাপার এবং আমরা এই নীতি অনুসরণ অব্যাহত রাখবো।
তিনি বলেন, যদি পশ্চিমা কোনো দেশ মনে করে ব্রিকসের যোগ দেওয়া আকর্ষণীয় ব্যাপার এবং ব্রিকসভুক্ত যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নীতি অনুসরণ থেকে বিরত থাকবে; পাশাপাশি এই জোটে যোগ দেয়ার জন্য আবেদন জানায় তাহলে সেই দেশের আবেদনটি বিবেচনা করা হতে পারে। এছাড়া অন্য কোনো পথ নেই।
উল্লেখ্য; গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এবারের সম্মেলন থেকে ইরান, আর্জেন্টিনা, মিশর, ইথিওপিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবকে নতুন সদস্য পদ দেওয়া হয়েছে। ব্রিকস জোটের আগের পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে- ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
সূত্র : পার্সটুডে











