বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

নেতানিয়াহুর তুরস্ক সফর ও ইসরাইলের সাথে চুক্তির বিষয়ে যা বললেন এরদোগান

আগামী অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্ক সফরে আসবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান।

আজারবাইজানের নাখচিভান অঞ্চলে সফর থেকে ফেরার সময় সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান তিনি।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, “সফরের তারিখ নির্ধারণের জন্য কাজ করছে তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে নেতানিয়াহুর তুরস্ক সফর হতে পারে।”

গত সপ্তাহে, আমেরিকার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশন চলাকালে প্রথমবারের মতো একটি বৈঠক করেন এরদোগান ও নেতানিয়াহু।

এ বৈঠকটিকে একটি মাইলফলক বা নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ ফিলিস্তিনিদের প্রতি দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা বিভিন্ন নীতিমালা পুনর্গঠনে কাজ করছে এ দুটি দেশ।

২০২২ সালের মার্চ মাসে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের তুরস্ক সফর, ও দেশ দুইটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পাল্টাপাল্টি সফরের পর থেকে ইসরাইল তুরস্ক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে।

গত জুলাই মাসে নেতানিয়াহুর তুরস্ক সফরের কথা থাকলেও অসুস্থতার দরুন তিনি তা বাতিল করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বৈঠকের পরে এরদোগান জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই নবায়নযোগ্য শক্তির সন্ধানে যৌথভাবে কাজ শুরু করবে তুরস্ক ও ইসরাইল।

এরদোগান বলেন, “তুরস্ক ও ইসরায়েল একে অপরকে অনেক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে। তবে এটাও সত্য যে সহযোগিতার আরো নতুন নতুন জায়গা রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের পর থেকে দীর্ঘস্থায়ী শক্তির উৎস খুঁজছে ইউরোপ।”

তিনি আরো বলেন, “এটা এখন সবারই জানা যে, ইসরাইল তার নিজস্ব সম্পদ ইউরোপে রপ্তানি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আর ইউরোপে এসব সম্পদ পরিবহনের জন্য সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম হলো তুরস্ক। এসব সম্পদ পরিবহনের জন্য সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পথ হলো তা তুরস্কের মাধ্যমে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়া।”

এরদোগান বলেন, “পরবর্তী ইসরাইল-তুরস্ক বৈঠকের সময় পরিবহনের রাস্তা, সময়সূচি ও খনন কাজের এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হবে।”

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ