জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত গাজ্জায় গণহত্যার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শুক্রবার প্রাথমিক রায় ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি মধ্যপ্রাচ্য এবং সারা বিশ্বের ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণের একটি যুগান্তকারী রায়।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইসারায়েলকে গাজ্জায় তাদের সামরিক অভিযান বন্ধ করার অথবা মানবিক সহায়তা সরবরাহের নির্দেশ দিতে পারে।
ইসরাইল আসলে গাজ্জায় গণহত্যা করছে কি-না সে বিষয়ে আদালত অবশ্য রায় দেবে না। এই পর্যায়ে, আইসিজে গাজ্জায় গণহত্যার বৃহত্তর অভিযোগ বিবেচনা করার আগে আজ এই জরুরি আদেশ দেবে। গণহত্যার অভিযোগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সম্ভবত কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
মামলাটি দক্ষিণ আফ্রিকা দায়ের করেছিল। যেখানে বলা হয়েছে, ইসরাইল ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘন করছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং হলোকাস্টের চাইতেও নজির সৃষ্টি করেছে।
আইসিজে’র রায়গুলো সব পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক, কিন্তু তাদের রায় মানতে হবে এমন কোন ব্যবস্থা নেই। কখনও কখনও তাদের সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করা হয়। উদাহরণ স্বরূপ, আদালত রাশিয়াকে ইউক্রেনে আগ্রাসন বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে।
নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আদালতের রায় মানবেন না। তিনি বলেছেন ‘কেউ আমাদের থামাতে পারবে না। হেগ নয় শুধু সারা বিশ্ব এবং অন্য কেউ নয়।’











