spot_img
spot_img

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আকসায় তারাবীতে ৩৫ হাজার মুসল্লীর উপস্থিতি

নিষেধাজ্ঞা, নির্যাতন ও শত বাধা সত্ত্বেও মসজিদুল আকসায় পবিত্র রমজানের প্রথম দিনের তারাবীতে অংশগ্রহণ করলো ৩৫ হাজার মুসল্লী।

দখলকৃত ফিলিস্তিনের কুদস আওকাফ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মসজিদুল আকসায় রমজানের ১ম দিনে ৩৫ হাজার মুসল্লী এশা ও তারাবীর নামাজ আদায় করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতেও দেখা যায়, ইসরাইলী বাধা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের আকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুসালেমের ফিলিস্তিনিরা দলে দলে মসজিদুল আকসা অভিমুখে যেতে থাকে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, পবিত্র রমজানে মুসলিমদের ৩য় পবিত্রতম স্থান মসজিদুল আকসায় মুসল্লীদের ইবাদাতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিশ্ব মানবতার শত্রু ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল। এজন্য আকসা প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করে অবৈধ রাষ্ট্রটির সরকার।

মসজিদে ইবাদাতের উদ্দেশ্যে প্রবেশপথে জড়ো হওয়া মুসল্লীদেরকে ইসরাইলী সেনাদের বাধা ও নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু এরপরও অসংখ্য ফিলিস্তিনি এতে প্রবেশ করতে সক্ষম হোন।

এর আগে ইসরাইল কর্তৃক মসজিদুল আকসায় ইবাদাতের নিষেধাজ্ঞার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ৩য় পবিত্রতম মসজিদটির খতিব শায়েখ ইকরিমা সাবরী।

তিনি বলেন, পবিত্র রমজানে মসজিদুল আকসায় মুসল্লীদের উপর ইবাদাতে নিষেধাজ্ঞা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এটি ধর্ম পালনের অধিকার ও ইবাদাতের স্বাধীনতার উপর সুস্পষ্ট হস্তক্ষেপ। এই অধিকার ও স্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক যে কোনকিছুর জন্য এবং উত্তেজনার জন্য দখলদার ইসরাইল দায়ী থাকবে।

এছাড়া নিষেধাজ্ঞার খবরের তোয়াক্কা না করে সকলকে তিনি মসজিদুল আকসা অভিমুখে যাত্রার আহবান জানান।

তিনি বলেন, আকসা অভিমুখে যাত্রার আহবান রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চলমান আদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি আহবান, যা রমজান ও রমজান ব্যতীত অন্যান্য মাসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সকলের উচিত পবিত্র ও বরকতময় আকসা অভিমুখে যাত্রা করা।

সূত্র: আল জাজিরা

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ