গাজ্জা শহর ও জাবালিয়ায় সাহায্যপণ্যবাহী ১৩টি ট্রাক নিরাপদে পৌঁছেছে। গত চার মাসের মধ্যে এই প্রথম কোনোরকম ঘটনা ছাড়াই পণ্যবাহী ট্রাকবহর গাজ্জা উপত্যকার দক্ষিণ থেকে উত্তরে প্রবেশ করতে পারল।
এদিকে আজ রোববার (১৭ মার্চ) থেকে কাতারে আবারও যুদ্ধবিরতির প্রশ্নে শুরু হওয়া আলোচনায় যোগ দিতে যাচ্ছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্রধানের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।
এদিকে আজ সকাল থেকেই কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় হামাস নতুন করে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তুলে ধরেছে। প্রস্তাবের আলোকে ইসরাইলী পণবন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে থাকা ১০০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবে তিন ধাপের যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে যার বিস্তৃতি হবে ৪২ দিনব্যাপী। প্রথম ধাপে, গাজ্জা সিটির উত্তর থেকে দক্ষিণে সংযোগ রক্ষাকারী আল-রশিদ এবং সালাহ-আল-দিন সড়কে থেকে সরে যাবে ইসরাইলী বাহিনী। এর ফলে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ফিরে আসতে পারবে এবং মানবিক সহায়তা সামগ্রী সেখানে প্রবেশ করতে পারবে।
প্রাথমিকভাবে হামাস তাদের হাতে থাকা পণবন্দিদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক লোকজনকে মুক্তি দেবে। এর বিনিময়ে ইসরাইল তাদের কারাগার থেকে ৭০০ থেকে ১০০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।











