ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি উৎসাহ প্রকাশ করেছে চীন।
কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়াহের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এমনটিই জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দূত ওয়াং কেজিন। এসময় কাতারে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চাও শাওলিন উপস্থিত ছিলেন।
এ বৈঠকে উভয়েই অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকার রাজনৈতিক ও সেখানকার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছে। পাশাপাশি গাজ্জায় চলমান যুদ্ধ সমাপ্তির উপায় ও সেখানে দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে ফিলিস্তিন ও চীনের জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে বেইজিং এর দৃঢ় সমর্থনের কথা স্মরণ করেন চীনা রাষ্ট্রদূত শাওলিন। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আলাদা একটি দেশ গঠনের পক্ষে চীনের দৃঢ় অবস্থানের কথাও জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত শাওলিন আরো বলেন, “এই যুদ্ধের সমাপ্তি প্রয়োজন। গাজ্জায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী কতৃক নিরিহ ফিলিস্তিনিদের হত্যা বন্ধ করা ও সেখানে মানবিক সাহায্য প্রদান করা উচিত।”
বৈঠকে, গাজ্জায় অবিলম্বে গণহত্যা ও আগ্রাসন বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন ইসমাইল হানিয়াহ। পাশাপাশি অবরুদ্ধ ছিটমহল থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের পুনরায় তাদের এলাকা ও নিজ বাড়িতে পৌঁছা দেওয়া, গাজ্জার নিরাপত্তা ও পুনর্গঠন শুরু করা, রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌঁছানো এবং জাতিগত আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আইন অনুযায়ী জেরুসালেমকে রাজধানী করে পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের উপর জোর দিয়েছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











