বিগত সরকারের আমলে ভারতের সাথে সাক্ষরিত সকল গোপন চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশ এবং চুক্তিগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
আজ সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী এই দাবি জানান।
তিনি সম্ভাব্য ভারতীয় আগ্রাসন মোকাবেলায় বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, এবং মাদ্রাসার প্রত্যেক শিক্ষার্থী যুবক-তরুণদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার জন্যও সরকারের কাছে দাবি জানান।
সম্প্রতি ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কতৃক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখা এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচ্ছন্নভাবে যুদ্ধের হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, আমরা কারো সাথে শত্রুতা চাই না, সবার সাথে বন্ধুত্ব চাই। কিন্তু ভারত যদি আগ বাড়িয়ে আমাদের উপর আক্রমণ করতে চায় তাহলে এদেশের আঠার কোটি মানুষ জীবনের বিনিময়ে হলেও তা প্রতিহত করবে।
তিনি আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৈামত্ব নিয়ে নাক গলাবার অধিকার কোন রাষ্ট্রের নেই। এই যুদ্ধপ্রস্তুতি কার বিরুদ্ধে রাজনাথ সিংকে তার পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও নাগরিকদের জান-মাল রক্ষায় এদেশের জনগণ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
মাওলানা হামিদী বলেন, ভারত এখনও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করেনি। প্রয়োজনের সময় পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে আর বর্ষাকালে বন্যার পানি ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে পানিতে ডুবিয়ে মারে। বন্ধুরুপী শত্রুর বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনতাকে সোচ্চার থাকতে হবে।
বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদরীস, মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মোফাচ্ছির হোসাইন, মাওলানা শেখ সাদী, মুফতী আখতারুজ্জামান আশরাফী ও মুফতী আবুল হাসান কাসেমী প্রমুখ।











