বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ঠিকই কিন্তু তার রেখে যাওয়া দরবেশ বাবারা দেশে বসে এখনো ষড়যন্ত্র করছে। এই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির আয়োজনে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস বলেন, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলাকে সালমান এফ রহমানের মতো দরবেশ বাবারা কোথায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল? তা না করে দুই আসনকে এক আসন করে তারা দুর্নীতি করে তাদের পাঞ্জাবির পকেটকে ভারি করেছেন। আমরা চাই, এই দুই উপজেলাকে দুটি আসনে অর্থ্যাৎ পূর্বের মতো ঢাকা-১ ও ঢাকা-২ আসনে ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং জনগণ যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করতে পারে এবং সেই নির্বাচিত প্রতিনিধি যেন জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে যেন কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন, হাসিনা দেশের পুলিশ থেকে শুরু করে প্রতিটি সেক্টরকে তাদের দাস বানিয়েছিল এবং তারা সবাইকে টিস্যুর মতো ব্যবহার করেছিল।
সারজিস আলম বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে শ্রমিক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. নিজাম উদ্দিন, নারী বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসিবুল ইসলাম, রাসেল আহমেদ, স্থানীয় নাগরিক কমিটির নেতা সালাহ উদ্দিন, রিফাত হোসেন, ছাত্র আন্দোলনের শাকিল আহমেদ, সুরভী আক্তার, মিস রুমি, মো. মোস্তফা আহমেদ, আরাফ হোসেন প্রমুখ।
পরে বিকাল সাড়ে ৪টায় সারজিম আলম ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বড় মাঠে রিকশা শ্রমিকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ও রাষ্ট্র গঠনে শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।











