অষ্টম শতকে (৭০৫-৭১৫ খ্রিস্টাব্দে) উমাইয়া খলিফা ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিকের আমলে নির্মিত হয় দামেস্কের উমাইয়া মসজিদ। মসজিদটিকে বলা হয় ‘সিরিয়ার হৃদয়’।
খোলা চত্বর, পাথরের দেয়াল, সোনালি মোজাইকের কারুকাজে সজ্জিত মসজিদটি আজও সিরীয় সভ্যতার এক মহাকীর্তি হিসেবে টিকে আছে। সিরিয়ার মানুষের কাছে এটি শুধু ইবাদতখানা নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতির এক জীবন্ত সাক্ষী।
স্বৈরাচারী শাসক বাশার আল আসাদের দীর্ঘ সময়ের শাসনকালে মসজিদটি ছিল জরাজীর্ণ—শৌচাগারে দুর্গন্ধ, কার্পেট নোংরা, বিদ্যুৎ, পানি ও সর্বত্র ছিল অব্যবস্থা।
আলেপ্পোয় জন্ম নেওয়া মানবিক সহায়তাবিষয়ক কর্মী সাদেদ্দীন এখন যুক্তরাষ্ট্র নিবন্ধিত এনজিও ‘হ্যান্ড’-এর ( হিউম্যান এইড এন্ড ডেভেলপমেন্ট) প্রধান নির্বাহী। আসাদ-পরবর্তী সিরিয়ায় তারা উমাইয়া মসজিদকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার এক বিরাট উদ্যোগ নেয়।
তিনি বলেন, মসজিদের ইমামের সঙ্গে কথা বলে জানলাম—রক্ষণাবেক্ষণের মতো লোকও নেই। তখনই ভাবলাম, এই মসজিদকে নতুন সিরিয়ার প্রতীক হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।
হ্যান্ড সংস্থা গত জানুয়ারিতে দামেস্কে কাজ শুরু করে, যা রমজান শুরুর আগ পর্যন্ত চলমান ছিল। পুরো পরিকল্পনার ব্যয় ছিল প্রায় ৩ লাখ ডলার। সংস্থাটিই এই পুরো বহনভার বহন করেছে। ৪৫ জন কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে—বিদ্যুৎ, পানি, নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামো, এই পাঁচটি মূল খাত উন্নত করা হয়।
সূত্র : নিউ আরব











