জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান বলেছেন, আফগানিস্তানে সরকার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে আসা পাকিস্তানের নীতি ভুল ছিল এবং এতে কোনো ফল আসেনি।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, একটি স্থিতিশীল ও স্বাধীন আফগানিস্তানই পাকিস্তানের স্বার্থে সবচেয়ে উপযোগী।
তিনি বলেন, আফগানিস্তানে সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে ইসলামাবাদের প্রচেষ্টা শুধু অকার্যকরই নয়, বরং বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানেও ব্যর্থ হয়েছে।
মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, “আফগানিস্তান কেবল বর্তমান সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; দেশটির জনগণ ও জাতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানকে তার নীতিনির্ধারণে এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে।”
এদিকে, পাকিস্তানের আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির প্রাদেশিক নেতা মিয়ান ইফতিখার হুসাইন বলেছেন, পাকিস্তান ও ইমারাতে ইসলামিয়ার মধ্যে চলমান উত্তেজনা সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান সংঘাত উভয় পক্ষের জন্যই গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, মুখোমুখি সংঘর্ষের পরিবর্তে সংলাপই হওয়া উচিত। কারণ যুদ্ধ শুরু করা গেলেও এর সমাপ্তি শুরুকারীর হাতে থাকে না; বরং তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষক গুল মুহাম্মাদউদ্দিন মুহাম্মাদি বলেন, “যুদ্ধে বেসামরিক মানুষ হত্যা করা বা নারী ও শিশুদের হতাহতের শিকার হওয়া জাতিসংঘের নীতিমালা, মানবাধিকার এবং মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এদিকে, রুশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতায় সহায়তা করতে প্রস্তুত। এই উদ্যোগ কূটনৈতিক উপায়ে উত্তেজনা কমাতে এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়ক হতে পারে।
সূত্র: তোলো নিউজ










