spot_img
spot_img

মার্কিন অবরোধ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: ইরান

ইরানি বন্দর ঘিরে মার্কিন নৌ-অবরোধকে দেশটির সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন চরম হুমকির মুখে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমীর সাঈদ ইরাভানি মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সমুদ্রপথে এই অবরোধ আরোপ করা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতার ওপর এক গুরুতর আঘাত।

আমীর সাঈদ ইরাভানি এই অবরোধকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের মৌলিক নীতিগুলোরও পরিপন্থী।

রাষ্ট্রদূত ইরাভানি চিঠিতে সতর্ক করেছেন, এই অবৈধ অবরোধ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি এবং এটি উত্তপ্ত এই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দর ও উপসাগরীয় উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধের ঘোষণা দেন। তিনি হুমকি দিয়েছেন, কোনো ইরানি জাহাজ এই অবরোধ চ্যালেঞ্জ করলে তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

কয়েক দিন আগেই পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও জিএমটি সময় সোমবার ১৪টা থেকে এই অবরোধ কার্যকর হয়। তবে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো এখনও যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে।

অপর এক চিঠিতে ইরানি দূত মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তাদের এই আন্তর্জাতিক বেআইনি কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।

ইরাভানি বলেন, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানকে ইরানের সব ধরনের বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

সূত্র: বাসস

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ