স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পার হলেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি না হওয়াকে দুঃখজনক বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান। একইসঙ্গে শহীদদের নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
আহমদ আযম খান বলেন, সরকার শহীদের একটি নির্ভুল ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের সকল শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন।
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গেজেটভুক্তদের মধ্যে শহীদ বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা ৩ হাজার ৬৯৮ জন, সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ ১ হাজার ৫৪১ জন, শহীদ বিজিবি সদস্য ৮১৭ জন, শহীদ পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা ৪২৩ জন এবং শহীদ আনসার বাহিনীর ১ জন সদস্য রয়েছেন।
এ ছাড়া বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জানান, ২০১০ সাল থেকে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। এসব গেজেট লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৪৮১ জনের নাম বাতিল হয়েছে।











