জুলাই অথবা ৫ আগস্টের মধ্যেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, আগামী জুলাই মাসের শেষে কিংবা ৫ আগস্টের মধ্যেই সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ খুলে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) গণভবনে স্থাপিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন ‘গণভবন’কে জাদুঘরে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রকল্পটির কাজের অগ্রগতি দেখতে সেখানে যান।
পরিদর্শন শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, হাসিনা ও তার সরকার কত বড়ো মাফিয়া ও খুনি ছিল, এই জাদুঘর তা প্রজন্মকে মনে করিয়ে দেবে। শেখ হাসিনার মাফিয়া সাম্রাজ্য ও খুনের নির্দেশনা সবই থাকবে এখানে।
স্পিকার বলেন, শেখ হাসিনা যে তার সন্ত্রাসীদের সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, তার কল রেকর্ডও এই জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, এই জাদুঘর অনাগত বাংলাদেশের এক বিশাল সম্পদ। যতদিন এটি থাকবে, মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ওপর ঘৃণা প্রকাশ করবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, এই জাদুঘর ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তির প্রতিবিম্ব হয়ে থাকবে।
গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের কাজ শুরু হওয়ার প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও এর পূর্ণাঙ্গ কাজ শেষ হয়নি। তবে সংস্কৃতি মন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে সংস্কার কাজ শেষ করে জুলাইয়ের শেষে বা আগস্টের শুরুতেই এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।











