spot_img
spot_img

শান্তি চুক্তি আলোচনায় কাতারে ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল

আমেরিকার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছেন ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।

সোমবার (২৫ মে) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে দোহায় যান বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের প্রধান আলোচক হিসেবে গালিবাফ এই সফরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আমেরিকা-ইরান সংঘাতের অবসানে চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স জানিয়েছে, প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুল নাসের হেম্মাতি। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দোহায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে চলমান শান্তি প্রচেষ্টার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে।

রয়টার্সের এক সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হলো হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি এবং ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি। এএফপির সূত্রও জানিয়েছে, আলোচনায় হরমুজ প্রণালি ও উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

যদিও এখনো চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি, তবুও ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুল নাসের হেম্মাতির সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে বিদেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।

এএফপিকে দেওয়া এক সূত্র জানায়, সমঝোতা স্মারকের আওতায় জব্দকৃত অর্থ ফেরতের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে কাতারের একটি প্রতিনিধি দল তেহরান সফর করে ইরানের জব্দ সম্পদ নিয়ে আলোচনা করেছে।

উল্লেখ্য, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করার জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ