লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি আলোচনার ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম।
তিনি বলেন, এই আলোচনার ফলাফল “লেবাননের জনগণের বিস্তৃত অংশ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
নাঈম কাসেম বলেন, আমেরিকা সমর্থিত যুদ্ধবিরতি সমঝোতাগুলো লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমেরিকা ও ইসরাইলের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। এগুলোর লক্ষ্য হলো, দেশটিকে তার ভাষায় গ্রেটার ইসরাইল প্রকল্পের অধীন করা।
বৃহস্পতিবার ভোরে প্রকাশিত লেবানন, আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বৈরুত ও তেলআবিব একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সম্পূর্ণভাবে গুলি বন্ধ করা এবং লিতানি নদীর দক্ষিণের এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে প্রত্যাহারের ভিত্তিতে কার্যকর করা হবে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের সময় ও পদ্ধতি আমেরিকা নির্ধারণ করবে। অনুমোদন পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এটি শুরু হতে পারে।
হিজবুল্লাহ নেতা অভিযোগ করে বলেন, ইসরাইল “সামরিকভাবে যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, তা রাজনৈতিকভাবে অর্জন করার” চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, লেবাননের গ্রামগুলো যতদিন হামলার মুখে থাকবে, ততদিন উত্তর ইসরাইলের ইসরাইলি বসতিগুলো “নিরাপদ থাকবে না।”
নাঈম কাসেম বলেন, “আমরা শুধু আগ্রাসন বন্ধ, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলের প্রত্যাহার নিশ্চিত করার বিষয়েই উদ্বিগ্ন।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি অবশ্যই লেবাননের পুরো ভূখণ্ডে কার্যকর হতে হবে। ইসরাইলি দখলদারিত্ব যতদিন অব্যাহত থাকবে, প্রতিরোধও ততদিন অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর











